ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো.ইউসুফ আলী।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতার কাজে শুধু কর্মীদের ওপর নির্ভর না করে নিজ নিজ স্থান নিজেরাই পরিষ্কার রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে সরকারি অফিসগুলোর আঙিনা পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ডেঙ্গুর হটস্পট এবং পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে জেলার প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাসাবাড়ির ছাদ ও টবে জমে থাকা পানি অপসারণের পাশাপাশি অফিস ও বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমকে সার্বজনীন রূপ দিতে গার্লস গাইড, স্কাউট এবং ‘বিডি ক্লিন’-এর মতো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন
সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্কাউট ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আঙিনা পরিষ্কারের মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
এর আগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতার কাজে শুধু কর্মীদের ওপর নির্ভর না করে নিজ নিজ স্থান নিজেরাই পরিষ্কার রাখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে সরকারি অফিসগুলোর আঙিনা পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ডেঙ্গুর হটস্পট এবং পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে জেলার প্রতিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাসাবাড়ির ছাদ ও টবে জমে থাকা পানি অপসারণের পাশাপাশি অফিস ও বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমকে সার্বজনীন রূপ দিতে গার্লস গাইড, স্কাউট এবং ‘বিডি ক্লিন’-এর মতো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন
সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্কাউট ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আঙিনা পরিষ্কারের মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
এর আগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :